Deux ans déjà nous séparent de la première publication sur ce blog de mon « Poème pour le 17 mai », mon tout premier poème parlant d’homosexualité. Aujourd’hui, à l’occasion de la Journée Mondiale contre l’Homophobie, je suis heureux de vous en présenter la traduction en bengali, grâce au travail de Gautam GHOSH-DASTIDAR.
Un poème pas comme les autres
Ce poème, pour moi, a une signification particulière. C’est le tout premier poème que j’ai écrit qui parlait d’homosexualité, et en particulier d’homophobie. Ce poème, j’ai voulu l’écrire après l’annonce, dans les médias, de la mort du petit Lucas, 13 ans, qui a mis fin à ses jours à force de subir un harcèlement homophobe. Cette annonce, bien sûr, m’a bouleversé. Et puis, j’ai découvert de très nombreux articles de presse relatant des violences, des actes de haine, que des gens subissent simplement parce qu’ils sont différents.
Ce poème contre la haine a eu un retentissement inattendu. Je l’ai lu une première fois en public à l’espace Altitude 500, à Grasse, à l’invitation de l’association Slam Ose, et il a reçu un accueil à peine dicible. L’émotion partagée était presque palpable. Le poète italien Mario Badino l’a traduit en italien. La poétesse belge Laurence Vielle l’a lu sur les ondes de la radio publique belge, et la vidéo correspondante a fait des milliers de vues sur les réseaux sociaux.
Ce poème ouvre mon recueil Du Néon aux Etoiles, mon deuxième recueil, paru en novembre dernier, et ce livre tout entier destiné à la célébration des amours plurielles a lui aussi reçu un accueil extraordinaire. J’ai été invité à le présenter au Bistrot Poète d’abord, à la Cave Wilson ensuite, et j’ai chaque fois reçu des retours incroyables.
Une traduction qui ouvre sur l’Inde
Récemment, un professeur, poète et traducteur indien, Gautam GHOSH-DASTIDAR, m’a contacté par e-mail, car il souhait traduire et publier en Inde mon tout dernier poème, intitulé « Poème déglingué ». Je lui ai donné mon accord pour cette publication qui se fera en Inde, et le traducteur m’a ensuite demandé si j’avais un autre poème que j’aimerais voir traduit en bengali. J’ai tout de suite pensé à ce « Poème pour le 17 mai », qui a une signification particulière pour moi, et que je rêverais de voir lu tout autour du monde.
Voici, donc, le texte de cette traduction, que je ne saurais ni lire ni déchiffrer, avec ces beaux caractères indiens qui, pour nous Européens, sont bien énigmatiques :
« ১৭ই মে-র জন্য একখানি কবিতা »
ধমক খেয়ে আত্মহত্যা করেছিল,
ধরেই নেওয়া হয়েছিল, ও পুরুষকেই ভালবাসে,
১৩ বছরের সেই ল্যুকার জন্য,
নৈশক্লাব ছেড়ে বেরোতে গিয়ে
হিংসার বলি হয়েছিল, পেদ্রোর সঙ্গে
বিয়ের ঠিক আগে, সেই জেফের্সোঁর জন্য,
অপমান করে হুমকি দেওয়া হল, মারধরও হল,
সালেয়ার মেঠোপথে সেই
আর্তুরো, আদ্রিয়ানো, কিলিয়ঁদের জন্য,
তড়িৎবাহী অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হল,
লিওঁর ডিস্কোক্লাব থেকে বেরোবার মুখে,
সেই ক্লেমঁর জন্য,
ফঁতেনে-সু-বোয়ায় মারা হল; কী না বেঞ্চিতে বসে
দুজনে দুজনকে চুমু খাওয়ার সাহস দেখাচ্ছিল,
সেই মেয়ে দুটোর জন্য,
এক রোববার সকালে নৃশংসভাবে মাটিতে
ফেলে পেটানো হল, উভয়ের হাত ধরে থাকা
তুলুজের ওই ছেলে দুটোর জন্য,
লিওঁর মেট্রোতে কিরকম বেইজ্জত
হতে হল, মারধরও খেল,
সেই পুরুষ-যুগলের জন্য,
জনা দশেকে মিলে ওদের ধাওয়া
করেছিল ক্লের্মঁ-ফেরঁর ট্রামে,
সেই দুটি পুরুষ-প্রেমিকের জন্য,
পারির আঞ্চলিক এক্সপ্রেস ট্রেনে
এক মাতালের হাতে মার খাওয়া
সেই মহিলাদের জন্য,
পাঁচ-পাঁচটা লোক রংধনু পতাকাটা সইতে পারেনি,
মাটিতে ফেলে তাই মুখ ফাটিয়ে দিয়েছিল,
আহত সেই ঘানার যুবকের জন্য,
অপমানিত, হুমকি-খাওয়া,
ঘুষি লাথি খাওয়া সেই সব
নরনারীদের জন্য,
হেলাফেলা করে যাদের দিকে তাকাই
সামান্য একটু তফাতের হেতু,
সেইসব মানবমানবীর জন্য,
পরিজন-পরিত্যক্ত
সেইসব মানবমানবীর জন্য,
যারা আমার চেয়েও বিশ বছরের ছোট,
যারা তাদের বৈসাদৃশ্য নিয়ে মুখর,
সেইসব কচি ইউটিউবারদের জন্য
নমনীয়, মনোলোভা এই মুক্তি
কয়েক বছর আগেও
যা ছিল কল্পনাতীত,
কিছুই যাদের হয়নি
অথচ যারা শুধুই ভিতু,
সেইসব মানবমানবীর জন্য,
নিজেদের একনাগাড়ে গোপন করে রেখে
যারা তাদের ভাবভঙ্গি লক্ষ্য করতে বাধ্য করে,
সেইসব মানবমানবীর জন্য,
তোমাদের সবার জন্য এই কবিতাটি লিখছি,
যেহেতু ফি সপ্তাহে একাধিক
হামলার খবর এনে দিচ্ছে সংবাদমাধ্যম,
এই কবিতাটা লিখছি,
কেননা মনে রাখা দরকার,
সমলিঙ্গের কাউকে ভালবাসার কী অর্থ,
এ তো কোনো বিচ্যুতি নয়,
মানসিক ব্যাধিও নয়,
শুধুই ভালবাসা,
কোনো জঘন্য কাজ নয়,
সাংঘাতিক কোনো ভুল নয়,
শুধুই ভালবাসা,
কোনো রাক্ষুসে বাসনা নয়,
মারাত্মক কিছু উন্মাদনা নয়,
শুধুই ভালোবাসা,
আর সে ভালবাসা আদেশ করা যায় না,
যেখানে মন চায় সে শরবিদ্ধ করে,
যেখানেই যায়, সে অনবদ্য,
ভালবাসাই সবচেয়ে সুন্দর,
এই সহজ কথাটা বলতে চেয়েই
এই কবিতাটা লিখছি,
আর ভালবাসাই হয়তো বিশ্বের
সবচাইতে বেশি শক্তিশালী ও
গহীন অনুভূতি,
প্রেমে পড়া বা প্রেমকে প্রকাশ করার মধ্যে
কারোরই তো
লজ্জা পাওয়ার কথা নয়,
গোটা দুনিয়ার মুখের সামনে,
সমস্ত ছাদ থেকে ভালবাসার
নাচ, গান, চিৎকার উঠুক,
যাবতীয় উচ্ছ্বাস, শক্তি, উন্মাদনা,
অসংযত সব
আনন্দ, আবেগ আর গর্বের সঙ্গে,
কেবলই সমকামী হয়ে ওঠা।
Tous mes remerciements à Gautam Gosh-Dastidar, de Calcutta, qui a généreusement réalisé cette traduction.
Ce poème fera-t-il le tour du monde ?
Après l’italien et le bengali, dans quelles autres langues ce poème pourrait-il être traduit ? Je rêverais que ce poème fasse le tour du monde et soit traduit en le plus grand nombre de langues possibles. Pour que triomphe l’amour ! Alors, si vous êtes capables de traduire ce poème dans une langue étrangère, et que vous avez un peu de temps devant vous, ce serait un cadeau magnifique ! Et joyeuse Journée Mondiale de lutte contre les LGBTphobies !
Pour vous procurer mon recueil, cliquez ici
En savoir plus sur Littérature Portes Ouvertes
Abonnez-vous pour recevoir les derniers articles par e-mail.